© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

লোকসানে পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা

শেয়ার করুন:
লোকসানে পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা
economic-reporter
০৭:০১ পিএম | ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৮

পেঁয়াজের মৌসুমেও বাড়ছে না পেঁয়াজের দাম। ফলে কৃষক ও পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা ভালো দাম না পাওয়া গুনতে হচ্ছে লোকসান। মুড়িকাটা পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজি ১২-১৫ টাকা।

পেঁয়াজের মৌসুমেও বাড়ছে না পেঁয়াজের দাম। ফলে কৃষক ও পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা ভালো দাম না পাওয়া গুনতে হচ্ছে লোকসান। মুড়িকাটা পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজি ১২-১৫ টাকা।

প্রতি বছর পেঁয়াজের মৌসুমের শুরুতে সাধারণত দেশি পেঁয়াজের বাজারদর বেশ ভালো থাকে। এবার ঘটেছে বিপরীত ঘটনা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশি পেঁয়াজের দাম কম হওয়ার কারণ ভারতীয় পেঁয়াজের বাড়তি সরবরাহ এবং ভারতে পেঁয়াজের দাম কম।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এবার পেঁয়াজের খুবই করুণ দশা। যারা ভালো দামের আশায় গত বছরের পেঁয়াজ রেখেছিলেন, তাদের ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়তে হয়েছে। অন্যদিকে দেশীয় উৎপাদকদের এখন লোকসানে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে।

এক ব্যবসায়ী জানান, মৌসুমের শুরুতে পেঁয়াজের দাম ৪৫ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল।বাড়তি লাভের আশায় তারা পেঁয়াজ বিক্রি করেনি। এখন পেঁয়াজের দাম একেবারে কমে যাওয়ায় ব্যবসায়ীদের কমদামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজে ৩৩ টাকা খরচ হলেও তিন ভাগের একভাগ দামে তাদের পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশে ২ লাখ ১২ হাজার হেক্টর জমিতে ২৩ লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্য ছিল। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চাহিদা ধরে ২৪ লাখ টনের মতো। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশে পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়েছে ১৮ লাখ ৬৬ হাজার টন। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে আলোচ্য সময়ে দেশে ১০ লাখ ৪১ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি হয়। সব মিলিয়ে ওই অর্থবছরে পেঁয়াজের জোগান আসে ২৯ লাখ টন।

ব্যবসায়ীরা জানান, ভারতে পেঁয়াজের দাম কম থাকায় তাদের এমন পরিস্থিতে পরতে হয়েছে । 

 

টাইমস/এসআর/এইচইউ

মন্তব্য করুন